গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৪:৪৪ PM
কন্টেন্ট: পাতা
“জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০০২ (২০০২ সনের ৮ নং আইন) রহিতক্রমে পরিমার্জনপূর্বক যুগোপযোগী করিয়া জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২ ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ৬(গ) ধারা অনুসারে মুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের জন্য জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) আবেদন গ্রহণ ও যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গেজেট বাতিলের সুপারিশ করে থাকে। পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপসমূহ নিম্নরুপঃ
১। কোন বীর মুক্তিযোদ্ধার নিকট হতে অন্য কোন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা নন মর্মে সুনির্দিষ্টভাবে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তি।
২। অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারী উভয়কে সাক্ষ্য প্রমাণাদি উপস্থাপনের জন্য নির্ধারিত তারিখ উল্লেখ করে পত্র প্রদান করা হয়।
৩। নির্ধারিত তারিখে অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারী উভয়ের উপস্থিতিতে এক বা একাধিক তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। তদন্তে অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা যদি সাক্ষ্য-প্রমাণে মুক্তিযোদ্ধা নন মর্মে প্রমাণিত হন, তার গেজেট বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হয়।
৪। তদন্তের ফলাফল এর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিষয়টি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এর সভায় উপস্থাপন করা হয়।
৫। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল এর সভায় গেজেট বাতিলের বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হলে সভার কার্যবিবরণী স্বাক্ষরিত হওয়ার পর গেজেট বাতিলের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়।
৬। পরিশেষে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গেজেট বাতিলের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।